যেসব লক্ষণে বুঝবেন স্ট্রোক হয়েছে

যেসব লক্ষণে বুঝবেন স্ট্রোক হয়েছে



মস্তিষ্কের কোনো অংশের রক্ত প্রবাহ ব্যহত হলে স্ট্রোক হয়। তবে স্ট্রোক হলে আমরা অনেকে বুঝতে পারি না। প্রাথমিকভাবে হাত, পা ও মুখের অসাড় অবস্থা বা জড়তা স্ট্রোকের লক্ষণ।

স্ট্রোক দুই ধরনের। এগুলো হলো : ইসকেমিক ও হেমোরেজিক।
ইসকেমিক ও হেমোরেজিক
ইসকেমিক স্ট্রোকে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে যায়। সাধারণত রক্তনালির ভেতর জমাট বাঁধা রক্তপিণ্ড এ সমস্যা করে থাকে। আর মস্তিষ্কের রক্তনালি ছিঁড়ে যে রক্তক্ষরণ হয়, সেটি হেমোরেজিক স্ট্রোক।
স্ট্রোক মস্তিষ্ককে ভীষণভাবে ক্ষতি করে। তাই কিছু লক্ষণ রয়েছে যা দেখে আপনি বুঝতে পারবেন স্ট্রোক হয়েছে। আর স্ট্রোকের লক্ষণগুলো জানা থাকলে মৃত্যু ঝুঁকি এড়ানো যায়।
স্ট্রোকের লক্ষণের বিষয়ে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি।
আসুন জেনে নেই যেসব লক্ষণে বুঝবেন স্ট্রোক হয়েছে-
১. হাত- পা ও মুখের অসাড় অবস্থা বা জড়তা। যা শরীরের এক অংশে হয়ে থাকে।
২. হাঁটতে-চলতে অসুবিধা, কথা বলতে সমস্যা ও অন্যের কথা বুঝতে অসুবিধা।
৩. হাসতে মুখের এক পাশ বেঁকে যাওয়া ও উভয় হাত উপরে তুলতে বললে এক হাত পড়ে যাওয়া।
৪. দুই চোখের দেখতে অসুবিধা হওয়া ও কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ বেশ মাথাব্যথা।
৫. ঝিমুনিভাব ও প্যারালাইসিস হওয়া।
তবে অনেক সময় স্ট্রোকের লক্ষণের সঙ্গে মাইগ্রেনের লক্ষণ মিলে যায়। যাইহোক এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

ওষুধের পাতায় লাল দাগ বা বিভিন্ন সংকেত কেন থাকে জানেন কি?

ওষুধের পাতায় লাল দাগ বা বিভিন্ন সংকেত কেন থাকে জানেন কি?



মুঠো মুঠো ওষুধ কিনে খাওয়ার অভ্যাস তো আমাদের সকলেরই প্রায় থাকে। তা যে ওষুধগুলো কিনে পটপট করে খেয়ে ফেলছেন, জানেন আদৌ সেগুলো আপনার খাওয়া ঠিক কি না? ডাক্তারের কাছে যাওয়ার হ্যাপা তো এড়াচ্ছেন, কিন্তু তাতে আপনার শরীর ঠিক থাকবে তো?

অনেক সময়ে দেখবেন ওষুধের স্ট্রিপে একটা লাল দাগ থাকে, ভেবে দেখেছেন কেন থাকে? ভাবার চেষ্টা না করেই তো কিনে খেয়ে ফেলেন।
যে সব ওষুধের স্ট্রিপে লাল দাগ থাকে, সেগুলো ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া একেবারেই কেনা বা খাওয়া যাবে না, অ্যান্টিবায়োটিক যাতে আপনি ডাক্তারের সাথে কথা না বলেই খেয়ে না ফেলেন, সে কারণেই ওষুধের কোম্পানিগুলো এই ব্যবস্থা করে রাখে। অথচ, আপনার সেদিকে খেয়ালও থাকে না।
এবার থেকে এই লাল দাগ দেওয়া কোনও ওষুধ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ না করে একেবারেই খাবেন না।
অনেক ওষুধের পাতায় বা স্ট্রিপে, প্যাকেটে আরএক্স, এনআরএক্স, এক্সআরএক্সও লেখা থাকে। এগুলোর মানেও নিশ্চয় আপনি দেখার বা বোঝার চেষ্টা করেন না। অত সময়ই নেই আমাদের হাতে, তাই না? জেনে নিন কী এই আরএক্স, এনআরএক্স, এক্সআরএক্স।
আরএক্স লেখা ওষুধও ডাক্তার না বললে একেবারেই খাবেন না, এতে আপনার মর্জির মাশুল আপনার শরীরকে গুনতে হতে পারে তো।
এনআরএক্স লেখা ওষুধের পাতাগুলোর ওষুধ আপনাকে তখনই তেমন কোনও ডাক্তার প্রেসক্রাইব করতে পারেন, যখন তাঁর কাছে সেই ওষুধ দেওযার লাইসেন্স রয়েছে। এবার থেকে কোনও ডাক্তার যদি আপনাকে এনআরএক্স লেখা কোনও ওষুধের পাতা সাজেস্ট করেন, আপনি চাইলেই তাঁর সেই ওষুধ দেওয়ার বা প্রেসক্রাইব করার লাইসেন্স আছে কি না একবার দেখে নিতে পারেন।
কোনও কোনও ডাক্তারের কাছে দেখবেন, আমরা এমন কিছু ওষুধ পাই যা কোনও দোকানে পাওয়া যাবে না। সেটা সেই ডাক্তার বলেই আপনাকে দেন। কেন কখনও জানতে ইচ্ছে করেছে? এমনকি এই ওষুধগুলো প্রেসক্রিপশনে লেখা থাকলেও কোনও ওষুধের দোকানে পাবেন না।
একটু সেই ওষুধের বাক্স বা পাতাগুলোয় দেখবেন, কোথাও না কোথাও তাতে এক্সআরএক্স লেখাটা খুঁজে পাবেনই। হ্যাঁ , এই এক্সআরএক্স লেখা ওষুধ শুধুমাত্র ডাক্তাররাই সরাসরি তাঁর রোগীকে দিতে পারেন।
অতএব এবার থেকে ওষুধ কিনলেই বা ডাক্তারের কাছে কোনও ওষুধ পেলেই তার গায়ে লেখা এবং লাল দাগ সম্পর্কে সচেতন হবেন। তাতে অনেক বেশি দিন সুস্থ হয়ে বাঁচতে পারবেন।
-দ্য ওয়াল।